Poems By Ricardo Tiago Moura Translated By Rita Ray

[gtranslated]

Ricardo Tiago Moura
ডেনমার্কবাসী পোর্তুগিজ় কবি রিকার্দু তিয়াগু মোরার জন্ম ১৯৭৮ সালে, মধ্য পোর্তুগালের বিশ্ববিদ্যালয় শহর কুইম্ব্রায়। ওঁর এখন অবধি প্রকাশিত কবিতাগ্রন্থের তালিকা: উম গাতু পারা দইশ (২০১৩/২০১৫), এপীশ্তুলাশ আ দে. (২০১৩), শ্পাসু আএরেউ (২০১৪), পিকেনা ইন্দূশ্ত্রিয়া (২০১৬), ক্রুজ়েশ (২০১৮) আর শ্ত্রোন্সিউ (২০২০)। তাঁর দুটি “বুক-অবজেক্ট”-ও প্রকাশিত হয়েছে: কোনত্রলু দ্য কুয়ালিদাদ (২০১৭) আর পুলীতিকা উম র্য্জ়ূমু (২০২০)। সমালোচকদের মতে এই শেষের বই-কবিতা-বস্তু-ভাস্কর্য নিরন্তর একটা আলাপচারিতা চালিয়ে গিয়ে নিজেই একটা শিল্পবস্তু হয়ে ওঠে যেটা কোন কবিতাগ্রন্থের কাছে আমরা আশা করি না। এই বইয়ের একটু অন্যরকম একটা বিন্যাস পাঠকদের বিবিধ ভাষ্য রচনার স্বাধীনতা দেয়। এই বইগুলি ছাড়াও রিকার্দু তিয়াগু মোরা বিভিন্ন পত্রিকা ও সঙ্কলনের জন্যে লেখেন। তাঁর কবিতায় তিনি সর্বদাই বিভিন্ন ধরণের লিখিত বা ভিজ়ুয়াল টেক্সটের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের একটা চেষ্টা করেন, যার মধ্যে অনুবাদ ও কোলাজও পড়ে। তাঁর কবিতার অনুবাদ চিলে, মেক্সিকো, ডেনমার্ক ও ইংল্যান্ডে প্রকাশিত হয়েছে। এখানে প্রকাশিত হল তাঁর তিনটি কবিতার অনুবাদ। 

তিনটি কবিতা: রিকার্দু তিয়াগু মোরা

অনুবাদ: ঋতা রায়

যোগ: বিয়োগ

বিছানায় দিনগুলো
সব একটু বেশিই
দেখার জন্যে: যদি না          
একটা দিন হাওয়া হয়ে যায়
না গোণা: কেবল
না হওয়া: ক্রস
জায়গাটাকে চিহ্নিত করে

***

(রক্ত)

এক পাঠক বলে:
একটা কবিতার রক্ত থাকা দরকার
(জবাবে আমি তাকে বলতে চাই যে আমি জানি না
এই বিশেষ করে রক্ত থাকা
দরকারটা কি বা অন্য কোন
তরল যদি দেশগুলোর পদার্থের
সব অবস্থার এই ব্যাপারটা   
গল্প-উপন্যাসের অবস্থার মত
টেক্সটের সাথে পুরো সম্পর্ক থাকে
যে মুহূর্তে সে নিজেই  
জ্যান্ত ছুটতে ছুটতে 
রক্তের বিনা কোন দরকারে
কিন্তু পাঠককে প্রশ্ন করি
আমার এমন বিষয় ঢোকাতে হবে কিনা
কঠিন গম্ভীর
সাহিত্য-মাংসের শক্ত সব দ্বীপ
ঘিরে রয়েছে যাদের অশান্ত সব ঝোল
আর ভাবি
কোন সব উদ্বেগ নিয়ে একটা লিখিত শরীরের
উদ্বিগ্ন
হওয়া উচিত
কোন সব লাল বেদনা  
সব তাড়া সব তরল    
সব কৌশল
না দেওয়া
সব বিদ্যুতের বিল  
ওর মধ্যে ঘুরেফিরে বেড়াতে পারে
যদি কখনই সেটা স্পষ্ট মনে না হয়
আমি যে পাঠক
তার কাছে প্রায় হাওয়া
আর বলি না
একটা [         ] থাকাটা যে কি
না-ই বা বললাম
সেই কবিতাগুলোর কথা
যেগুলো অন্যদের
নাড়িভুড়ি)  
জবাবে বলি:
একজন পাঠকের রক্ত থাকা দরকার

(- বাকি সবের থাকতে পারে

আর পারে না

বা না)

***

(হিসেব)

কথা গোনা মুক্তোগুলো কথাগুলো

সত্যি হলে: গর্বান্ধ
পতন ধীরলয়ে
থেমে যাওয়া পারম্পর্য
সেইসব পদক্ষেপের যেগুলো
মাপেনি গত শতাব্দীর
পুরোটা
বড় বেশি নবীন
আমাকে হিসেবে ধরার জন্যে
তোমাকে আমাকে: এমন কেউ
যে হোঁচট খায় নক্ষত্রদের  
অশ্রুত সঙ্গীতে: নীরব
কেউ টিপে বন্ধ করে দেয়

এই মানবতার বোতামটা
যেটা গোনে
কাটে
জাগিয়ে তোলে কথা মুক্তো কথা

***

ঋতা রায়
  ঋতা রায় (১৯৬৫) ইংরেজিতে স্নাতকত্তোর করার পর পর্তুগিজ কবি ফির্ণান্দু পেসোয়ার ওপর গবেষণা করেন। পঁচিশ বছর দিল্লি আর কলকাতার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্তুগিজ ভাষা ও সংস্কৃতি পড়ানোর পর গত পাঁচ বছর ধরে বিভিন্ন ভাষার সাহিত্য বাংলা, ইংরেজি ও পর্তুগিজে অনুবাদ করে চলেছেন।     

©All Rights reserved by Torkito Tarjoni

Leave a Reply

Your email address will not be published.