Poems By Ricardo Marques Translated By Rita Ray

[gtranslated]

Ricardo Marques
কবি ও অনুবাদক রিকার্দু মার্কেশের জন্ম লিশবোয়ার কাছেই সিন্ত্রাতে, ১৯৮৩ সালে। লিশবোয়ার উনিভির্সিদাদ নোভা দ্য লিশবোয়া থেকে শ্তুদুশ পুর্তুগেজ়ে পিএইচডি করার পর রিকার্দু ওই বিশ্ববিদ্যালয়েই পোস্ট-ডক্টোরাল রিসার্চ করেন পোর্তুগিজ় আধুনিকতাবাদের সাহিত্য পত্রিকাগুলোকে নিয়ে। এই  কাজের ওপরেই ভিত্তি করেই তাঁর সম্পাদিত একটি প্রবন্ধ সঙ্কলন বিবলিওতেকা নাসিওনাল দ্য পুর্তুগাল থেকে ২০২০ সালে প্রকাশিত হয়েছে যার নাম ত্রাদিসাঁও ই ভানগুয়ার্দা: র্য্ভিশ্তাশ লিতরারিয়াশ দু মুদ্যার্নিশমু (১৯১০-১৯২৬)। তাঁর আরও একটি গবেষণাধর্মী কাজ, সমকালীন পোর্তুগিজ় কবিতার ওপরে, প্রকাশিত হয়েছে ২০২১ সালে: জা নাঁও দা পারা সের মুদ্যার্নু: সাইশ পুয়েতাশ দ্য আগরা। অনুবাদক হিসেবে বিভিন্ন কবির কবিতা ইংরেজি থেকে পোর্তুগিজ়ে অনুবাদ করেছেন, এঁদের মধ্যে আছেন অ্যান কারসান, বিলি কলিন্স, ডি এইচ লরেন্স, প্যাটি স্মিথ ও এইমি লাওয়েল। ওঁর ইংরেজি কবিতা ২০১৯ সালে প্রকাশিত ইউরোপ – অ্যান অ্যান্থোলজি অফ টোয়েন্টিফার্স্ট সেঞ্চুরি ইনোভেটিভ ইউরোপিয়ান পোয়েট্রি নামক সঙ্কলনে স্থান পেয়েছে। এছাড়াও রিকার্দু বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় নিয়মিত প্রবন্ধ লিখে থাকেন। তাঁর প্রথম কবিতা সঙ্কলন মাকার প্রকাশিত হয় ২০১৩ সালে ব্রেজ়িলে। তাঁর সর্বশেষ কবিতার বই, লুসিদেশ, প্রকাশিত হয়েছে ২০১৯ সালে লিশবোয়াতে। তাঁর প্রথম গদ্য সঙ্কলন, আ ভারান্দা, বেরিয়েছে গত বছর। এখানে রইল তাঁর তিনটি অপ্রকাশিত কবিতা।   

তিনটি কবিতা: রিকার্দু মার্কেশ

অনুবাদ: ঋতা রায়

সেলফি মেড ম্যান

সেলফি স্ত্রীর শ্বশুর-শাশুড়ি আর পরিবারের বাকিদের সাথে  
একটা সেলফি সবচেয়ে অ-সাধারণ খাবারের কাছে দাম্পত্য সাহচর্যে  
একটা সেলফি সোফাতে বসে টিভির সাথে আমরা সারা সন্ধে কি দেখি তা দেখানোর জন্যে
একটা সেলফি ক্রুজ়ের রেলিঙের ধারে সানগ্লাস আর তোয়ালে নিয়ে
একটা সেলফি লেকের ধারে একটার ওপর আরেকটা পা রেখে আর হাত ধরাধরি করে
একটা সেলফি জেগে উঠেই আমদের দেখা স্বপ্নটাকে প্রকাশ করার জন্যে  
একটা সেলফি বন্ধুদের সাথে যাদের ছাড়া আমরা কখনই কিছু হব না  
একটা সেলফি সবচেয়ে গভীর খাদের ধারে পড়ে যাবার ঠিক আগে

একটা সেলফি উত্তর মেরুতে একটা হিমশৈলের সাথে তার দেখা পেলে
একটা শেষ সেলফি তাদের সম্মানে যারা রয়ে গেছে ঘরে

ফোন বন্ধ করে
আর তাদের যারা জাদুঘরে গেছে ছবিগুলোকে শুধু দেখবে বলে।

[২০২২]

জীবনী

পালিয়েছি দল আর মহান করে তোলা
গুহাগুলো থেকে

পেছন ফিরে দেখেছি সামনে
দেখার জন্যে

এমনকি যখন প্রেম গেল
হারিয়ে

নিজেকে হারাইনি আমি
সেনাতেও যোগ দিইনি

অরিফিয়াসের মত 
গেয়েছিলাম বহুস্বরে।

[২০২২]

নোলি মে তানজেরে

উন্মুক্ত সৌন্দর্য শুধু
ওই যেটা খুলে দেয় তা-ই সৌন্দর্য

ভেবে নাও গ্রীষ্মের এক সুন্দর দিন 
যেদিন সূর্য শুধু আমাদেরই ছোঁয়:

আকাশ আর মাটি শেষ হতে পারে  
কিন্তু আমার ইচ্ছে কখনই নয়

[২০১৬]

ঋতা রায়
  ঋতা রায় (১৯৬৫) ইংরেজিতে স্নাতকত্তোর করার পর পর্তুগিজ কবি ফির্ণান্দু পেসোয়ার ওপর গবেষণা করেন। পঁচিশ বছর দিল্লি আর কলকাতার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্তুগিজ ভাষা ও সংস্কৃতি পড়ানোর পর গত পাঁচ বছর ধরে বিভিন্ন ভাষার সাহিত্য বাংলা, ইংরেজি ও পর্তুগিজে অনুবাদ করে চলেছেন।     

©All Rights reserved by Torkito Tarjoni

Leave a Reply

Your email address will not be published.