ভাল ফ্যাসিস্ট হবার সহজ উপায় পর্ব-২

Bom-Fascista
বাংলা English
Rui Zink
Rui Zink
 রুই জিঙ্ক
 ‘বই লেখে, ক্লাস নেয়, নানা জিনিস কল্পনা করে’ – নিজের বর্ণনায় রুই জিঙ্ক এমনই । ১৯৬১ সালে লিসবনে জন্ম। পেশা অধ্যাপনা। প্রথম উপন্যাস ‘অতেল লুজিতানু’(১৯৮৬)। তাঁর ‘A Arte Suprema’(২০০৭) প্রথম পর্তুগিজ গ্রাফিক নভেল । তাঁর 'Os Surfistas’ পোর্তুগালের প্রথম ইণ্টারঅ্যাক্টিভ ই-নভেল । তাঁর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৪৫ । ২০০৫ সালে তিনি ‘Dadiva Divina’ উপন্যাসের জন্য Pen Club পুরস্কার পান । বাংলায় তাঁর অনূদিত গ্রন্থগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য – ‘নয়ন’, ‘এক সমুদ্দুর বই’, ‘ভয়’, ‘শেষের সে দিন’, ‘ঘটনাতত্ত্বের পবিত্র গ্রন্থ’, ‘বেড়াতে যাওয়ার ঠিকানা’ ইত্যাদি । এই সংখ্যা থেকে ধারাবাহিকভাবে শুরু হচ্ছে রুই জিঙ্কের 'Manual Do Bom Fascista'-এর বাংলা অনুবাদ 'ভাল ফ্যাসিস্ট হবার সহজ উপায়'। অনুবাদক ঋতা রায়।

Manual Do Bom Fascista
Manual Do Bom Fascista

পাঠ ২

একজন ভাল ফ্যাসিস্ট কখনই ছেড়ে কথা বলে না

সত্যি কথা, একজন ভাল ফ্যাসিস্ট কখন ছেড়ে কথা বলে না। যারা দুর্বল তারা ছেড়ে দেয়, যারা সবল তারা কখনই ছেড়ে দেয় না। আর একজন ভাল ফ্যাসিস্টের শক্তির প্রতি যে শুধু আকর্ষণ আছে তা-ই নয়, সেটা সে তার রোজকার জীবনে প্রয়োগও করে।

 প্রমাণ? এর প্রমাণ হল যখন সে তার বন্ধুদের কোন ঝগড়ার ঘটনা (একজন ফ্যাসিস্টের সব ঘটনাই ঝগড়ার হওয়ার সম্পূর্ণ সম্ভাবনা থাকে) শোনায় তখন এই কথা বলে সে সর্বদাই শুরু করে, যেন ওটাই একটা গুপ্তমন্ত্র:

                “আরে ভাই, তুই ভাবতেও পারবি না কি হল!”

 আর তারপর সে বলে কি ঘটেছিল। হয়ত একটা ধাক্কাধাক্কি বা কোন একটা কথা সুবিধের মনে হয়নি, সন্দেহজনক হাসির একটা হররা কিংবা কোন এক জনতার ন্যাকা-বোকা সাজতে চাওয়া, আরে-ও-তো-আমার-পুরো-গাড়িতেই-আঁচড়-লাগিয়ে-দিত ইত্যাদি।

                “সত্যি? কি সাহস মালটার! আর তুমি ছেড়ে দিলে?”

                “আমি? আমি সেই বান্দাই নই! তুই তো ভাল করেই জানিস যে ছেড়ে দেওয়ার পাত্র আমি নই!”

                “তা বটে! আমি হলেও ছেড়ে দিতাম না। তারপর?”

                “তারপর কি?”

                “মালটা?”

                “ছেড়ে দিল, আবার কি!” 

                এটা বলা যায় যে একজন ভাল ফ্যাসিস্ট হল একটা চলমান উচিত-জবাব।

                যতবার সে শুরু করে, কেউ না কেউ ছেড়ে দেয়।

                আর ভালভাবে ছেড়ে দিলে সবারই কুশল-মঙ্গল।

পাঠ ৩

একজন ভাল ফ্যাসিস্ট সর্বদাই সঠিক

যেকোন সন্দেহ, তা সে যত সামান্যই হোক না কেন, তাকে জগতের সবচেয়ে বড় বিভীষিকায় পরিণত করতে পারে। না, না, সে এরকম কোন দানব নয় যার ষোলটা শুঁড় আর পোষ-মানা সাগর কুসুমের মত চোখ আছে। না, হিমোফিলিয়ায় ভোগাকোনও রক্ত-চোষা বাদুড়ও সে নয়। এবং না – খারাপ ভাবে যেন নেবেন না – সে কোন দৈত্যাকার টারান্টুলাও নয়। আরো, আরো খারাপ: ক্ষুদ্রতম সন্দেহও ভাল ফ্যাসিস্টকে একজন সাংস্কৃতিক মার্ক্সবাদীতে পরিণত করে ফেলতে পারে। কিংবা, যেটা আরও গুরুতর, একজন দুর্বল প্রাণীতে। আর “দুর্বল হওয়াটা” হল সেইসব লোকেদের নৈতিক বৈশিষ্ট্য যারা জানে না তারা কি চায়, বিশেষ করে যারা জানে না তারা দেশের জন্যে কি চায়।

 সুতরাং একজন ফ্যাসিস্ট যখন সর্বদাই সঠিক তখন এখানে আর আলোচনার কোন জায়গা নেই। মুখটা বন্ধই থাক কারণ একটু ভক্তিছেদ্দা দেখানটা সবসময়েই খুব সুন্দর। সত্যি বলতে কি ভক্তিছেদ্দা ব্যাপারটা এই পৃথিবীর বুকে একমাত্র সুন্দর জিনিস, হয়তবা এই ব্রহ্মাণ্ডেও, তা না হলেও অন্তত এই আকাশগঙ্গায় তো বটেই।

 সঠিক না হতে পারলে ফ্যাসিস্ট হয়ে লাভটা কি? জীবনটা অদ্ভুত, হাস্যকর কিন্তু অতটাও নয়। কেউ যদি দেখে যে তার অন্যদের মতামতটা তখনই পছন্দ হচ্ছে যখন সেটা তার নিজের মতের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে, তাহলে বুঝতে হবে যে সে একজন ভাল ফ্যাসিস্ট হবার পথে চলতে শুরু করে দিয়েছে।

 সামাজিক নেটওয়ার্কগুলোর অ্যালগোরিদম এর পক্ষে খুব উপযুক্ত। চমৎকার হাতিয়ার, এই অ্যালগোরিদম। বড়ই সৌভাগ্যশীল এই অ্যালগোরিদম।

 যখন আমরা সর্বদাই সঠিক তখন লোকে কি ভাবল তা নিয়ে মাথা ঘামানোরই বা কি দরকার – আর তা শোনার তো আরোই কোন দরকার নেই। ওরা যে সুবিধের লোক নয় তারই তো একটা বাজে লক্ষণ এটাই যে ওরা আমাদের সঙ্গে একমত নয়। এটাই তো বিপদের পূর্বাভাস। একবার সাবধান করে দিয়েছি, বারবার তো আর করব না। আর বিপদে পড়তে কে-ই বা ভালবাসে!

                “আমি সাবধান করে দিচ্ছি মাত্র!” একজন ভাল ফ্যাসিস্ট বলে। “এবার দ্যাখো তোমার কি হয়!”

[অনুশীলনী: যারা আমাদের সঙ্গে একমত নয় তাদের সবাইকে গালাগাল দিতে হবে আর ব্লক করতে হবে যতক্ষণ না  অ্যালগোরিদম আমাদের এমনসব লোকেদের দিয়ে ঘিরে ফেলে যাদের চিন্তাভাবনা গুলো একদম ঠিকঠাক, আমাদের মত। যদি আমরা এই অনুশীলনী খুবমন দিয়ে ভাল ভাবে করতে পারি তাহলে আমাদের স্বর্গলাভ হবে: একটা ভার্চুয়াল বিশ্ব যা অবিকল আমাদের প্রতিরূপ ও প্রতিচ্ছবি হবে। এটা দিনে কুড়িবার করতে হবে যতক্ষণ না বড্ড বেশি সময় ফেসবুকে কাটানর জন্যে চাকরিটা চলে যায়।]

পাঠ ৪

একজন ভাল ফ্যাসিস্ট কেবলই সেটাই করতে চায় যেটা তার মন চায়

আর এতে খারাপের আছেটা কি? কি কারণে জীবনের সব ভাল জিনিসই কেবল অন্যের জন্যে হবে? কেন সব টাকাপয়সা উদ্বাস্তুদের ভোগে লাগবে, যারা কিনা এখানে জন্মায়ওনি, কেন সব টাকা “আমাদের” জন্যে না হয়ে “অন্যদের” পেছনে খরচ হবে?

 একজন ভাল ফ্যাসিস্ট এইসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়: আজকাল তো সবকিছুই ওদের, আমাদের কিছুই নয়। এরপর এমন একদিন আসবে যখন একটা কফি খেতে পাবার জন্যে সমকামী হতে হবে বা স্কার্ট পরতে হবে বা সোলারিয়ামে[1] যেতে হবে[2]। এ ব্যাপারে একজন ভাল ফ্যাসিস্ট একজন দূরসম্পর্কের আত্মীয়ের মত: সে সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে। কেবল ওরা একটা অসম্ভব ইউটোপিয়ায় সবার জন্যে সবকিছু চায়: ভাল মাইনে, আরো কাজ, “জীবনধারণের জন্যে ন্যূনতম সুযোগসুবিধা”, এরকম আরো কত কি। এদিকে, স্বাভাবিকভাবেই, নেতারা কেবল নিজেদের পকেটটাই ভরতে চায়। ফেনপ্রফের[3] ওই মালটা বলে নাকি সে টিচার, কিন্তু কতদিন হল সে ক্লাস নেয় না? সেই।

 সবাইকে সবকিছু দিতে হবে এমন সব কথাবার্তার মধ্যে একজন ভাল ফ্যাসিস্ট থাকে না – তার একটা বড় কারণ হল পৃথিবীটা তো হদ্দ কুঁড়েতে ভর্তি যারা কাজই করতে চায় না। তাদের যদি সত্যিই কাজ করার ইচ্ছে থাকত তো মাইনে নিয়ে তর্কাতর্কি না করে কাজটাই করত।

 এ ব্যাপারে একজন ভাল ফ্যাসিস্ট খুবই বাস্তববাদী: ওপরে ওঠাটা তার কাছে অপরিহার্য নয়, কোন একজনের নিচে নেমে যাওয়াটাই তার পক্ষে যথেষ্ট। সে সবার ভাল চায় না (সেটা তো নির্বোধের ইউটোপিয়া), অন্যদের অসুখী দেখলেই তার প্রাণটা জুড়োয়।

                এদিকে একজন ভাল ফ্যাসিস্ট স্বপ্নও দেখে: যেসব গুণ তার নেই বলেই সে জানে, কিন্তু যেগুলো তার না থাকাটাই অন্যায়, সেইসব গুণ তার আছে বলে সবাই যদি স্বীকৃতিটুকু দেয়।

পাঠ ৫

একজন ভাল ফ্যাসিস্ট শুধু পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ হতে চায়

হ্যাঁ, একজন ভাল ফ্যাসিস্ট হতাশায় ভোগে, কারণ সে সর্বশ্রেষ্ঠ হতে চায় কিন্তু হতে পারে না। এমনকি সে যা তার চেয়ে ভাল হয়ে উঠতেও পারে না (সামান্য শৃঙ্খলা আর বিবেচনা থাকলেই সেটা তার পক্ষে করা সম্ভব হত) কারণ যদিও সে জীবনের পাঠশালায় পড়েছে তবুও তার অস্তিত্বটাই আলসেমিতে ভরা।

 সুতরাং একজন ভাল ফ্যাসিস্ট বল খেলার অধিকারের জন্যে লড়াই করার চেয়ে বল খেলার জন্যে আরো প্রতিভার অধিকারের জন্যে লড়াই করে।

 এসবকিছু সত্ত্বেও একজন ভাল ফ্যাসিস্টের মাথায় মাঝে মধ্যে প্রাঞ্জলতার একটা ঝলক খেলে যায়, যখন সে বুঝতে পারে যে সে মানুষ হিসেবে ভাল নয়। ব্যাপারটা তাহলে এইরকম: জীবনটা যদি সুবিচারে ভরা হত তাহলে একজন ভাল ফ্যাসিস্টও সে যা তার থেকে ভাল মানুষ হত।

 কিন্তু জীবনের স্বভাবটাই হল ন্যায্য না হওয়া, তাই না?

 আর, স্টিগ ডাগেরমান[4] হলে বলতেন, একজন ভাল ফ্যাসিস্টের সান্ত্বনার প্রয়োজন মেটানোটা অসম্ভব।

 আরো ভাল চাকরি, আরো ভাল মাইনের সুযোগ? সেসব তার জন্যে যথেষ্ট নয়। মরিয়া হয়ে একজন ভাল ফ্যাসিস্ট এ-ও আর চায় না যে সমস্ত দক্ষতা তার নেই সেগুলো স্বীকৃত হোক – ওর কাছে এটাই যথেষ্ট যে অন্যদের দক্ষতা ওর চেয়ে কম হোক। কারুরই কোন প্রতিভা নেই এমন একটা পৃথিবী হলেই তো ভাল হত!

 আর সেটা হওয়া তো খুব সহজ। সত্যি বলতে কি, সেটা তো আগেও হয়েছে। আগেকার দিনে তো বেনামীতে সামান্য একটা কথা লাগিয়ে দিলেই মোৎসার্ট, কাময়েঁশ[5] বা আইনস্টাইন, সে যে-ই হোক না কেন, বিপদে পড়তে বাধ্য হত! এমনকি ভাগ্য ভাল হলে তাদের দিয়েই নিজেদের জীবনটা শেষ করিয়ে দেওয়া যেত, যখন তারা বুঝতে পারত যে তাদের পালাবার আর কোন পথ নেই, যেমনটা হয়েছিল পোর্তুগালে ঢোকার মুখে ভালটারবেনিয়ামিনের ক্ষেত্রে। একটা উর্দি আর একটা অস্ত্র অসাধ্যসাধন করতে পারে। আর এখানেই এলিটদের ওপর বদলা নেওয়া যায়।

পাঠ ৬

সত্যিই খুব অন্যায়

কি কারণে সে-ই সেরা বইগুলো লেখে না বা সেরা সঙ্গীত তৈরি করে না বা খুসকির টিকা আবিষ্কার করে না? আর সে যে সবচেয়ে মজার চুটকিগুলো বলে না সেটা কি একটা বিশাল বড় অন্যায় নয়?কিংবা তাকে যে টিভিতে দেখা যায় না? বা একগাদা লোকের হাততালির মধ্যে স্টেজে উঠে গিটারবাজায় না (যে গিটার সে কিনা কোনদিনই বাজাতে শেখেনি, কিন্তু সেই কথাটা তো এখানে উঠছে না)?

 ব্যাপারটা খুবই খারাপ।

 একজন ভাল ফ্যাসিস্টের এমন একটা পৃথিবীর আকুলভাবে চায় যেখানে সে সবকিছুতেই সেরা হবে আর অন্যেরা কিছুতেই সেরা হবে না। বা তাদের শিগগিরি খতম করে দেওয়া হবে যদি তারা কোন বোকামি করে ফেলে।

 হ্যাঁ, এইটা হলে কি ভালই না হত! এমন একটা পৃথিবী যেখানে যারা ওকে অপদস্থ করেছে তাদের ও “দেখাতে” পারবেতার মত যন্ত্রণা ভোগ করতে কেমন লাগে। এমন একটা পৃথিবী যেখানে ও একজন বড় বিজ্ঞানী হবে, ওই যারা ক্যান্সারের ওষুধ বের করে তাদের মত, স্রেফ এইজন্যেই যে ওষুধটা বের করেই সেটা পাওয়ার জন্যে যে গবেটের দলটা তার পায়ের কাছে বসে কাকুতি-মিনতি করছে, সে তাদের সেটা দেবে না।

 “আর তখনই আমি গড়াগড়ি দিয়ে হাসব!”

পাঠ ৭

একজন ভাল ফ্যাসিস্টের কোনরকম হতাশা থাকে না

থাকে না, সত্যি বলছি থাকে না। সাধারণ লোকেদের হতাশা থাকে। সবারই সারা জীবনে হাজার একটা হতাশা থাকে। সেটা স্বাভাবিক। ব্যর্থতা তো থাকেই। জীবনটা তো আর সর্বদাই আমরা যেমনটা চাই সেইভাবে চলে না।

                কি আর বলব! জীবনটা কখনই আমরা যেমনটা চাই সেইভাবে চলে না।

 একদিন আমরা ঘুম থেকে উঠে আবিষ্কার করি যে আমরা যেমনটা ভেবেছিলাম ঠিক তেমন পিয়ানো বাজানোর দক্ষতা আমাদের নেই।কিংবা আঁকার। বা (না মানে ইয়ে) লেখার।পরিকল্পনা বানচাল হয়ে যায়, স্বপ্ন ভেঙে যায়, প্রেমিকা অন্য কাউকে – বা, আরো খারাপ, আমাদেরই বিয়ে করে। শৈল্পিক পাইলটিঙের কোর্সের শেষ মুহূর্তে এসে আমরা আবিষ্কার করি যে আমরা রং-কানা, ওই লিটল মিস সানশাইন নামের অ্যামেরিকান ফিল্মের ছেলেটার মত। নয়ত একটা বড় ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি সই করতে গিয়ে আমরা আবিষ্কার করি যে আমাদের হৃদযন্ত্রটা দুর্বল। জীবনটাই এরকম।

 না, একজন ভাল ফ্যাসিস্টের কোন হতাশা থাকে না। একজন ভাল ফ্যাসিস্ট হল “কেবলই” হতাশা।

 হতাশার একটা তলহীন কুয়ো কিন্তু (কি আশ্চর্য!) সেগুলো বৃথা যায় না। সে ওগুলোকে জমিয়ে রাখে। জমিয়ে রাখতেই থাকে। ও সেগুলোকে রাখে, রাখতেই থাকে।

 আর সে ভোলে না।

ক্রমশ…

ভাল ফ্যাসিস্ট হবার সহজ উপায় পর্ব-১


[1]ট্যান ক্লাব যেখানে কৃত্রিম আলোয় চামড়া পুড়িয়ে বাদামি করা হয়।

[2]ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতে “শাদা চামড়ার হেটেরোসেক্সুয়াল পুরুষেরাই আসল ভিক্টিম”।

[3]Fenprof  পোর্তুগালের স্কুলের শিক্ষকদের সংগঠন।

[4]সুইডিশ সাংবাদিক ও লেখক যাঁর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরিণাম নিয়ে অনেক লেখা আছে।

[5] Luís Vaz de Camões (১৫২৩/২৪ – ১০ই জুন, ১৫৮০) পর্তুগালের মহাকবি; “উশ লুজিয়াদাশ।” নামের মহাকাব্যের রচয়িতা। গোয়া এবং মাকাউয়ে বহু বছর কাটান, সেই সময়েই “উশ লুজিয়াদাশ” লেখা হয়।

ঋতা রায় (১৯৬৫) ইংরেজিতে স্নাতকত্তোর করার পর পর্তুগিজ কবি ফির্ণান্দু পেসোয়ার ওপর গবেষণা করেন। পঁচিশ বছর দিল্লি আর কলকাতার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্তুগিজ ভাষা ও সংস্কৃতি পড়ানোর পর গত পাঁচ বছর ধরে বিভিন্ন ভাষার সাহিত্য বাংলা, ইংরেজি ও পর্তুগিজে অনুবাদ করে চলেছেন।

© All rights reserved by Torkito Tarjoni

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *